|
Blog
|
Dr Firoz Mahboob Kamal
|
|
Tuesday, 17 August 2010 12:11 |
|
বাংলাদেশে অপরাধীদের বিচরন শুধু সন্ত্রাস, চুরিডাকাতি, খুণ-খারাবী বা ব্যভিচারীতে নয়, বরং পুলিশ, প্রশাসন, আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য ও বুদ্ধিবৃ্ত্তিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। বস্তুতঃ সমগ্র দেশটিই অধিকৃত তাদের হাতে। তাদের সবচেয়ে বড় ভীড় দেশের রাজনীতিতে। অনেকের কাছেই রাজনীতি এখন আর নিছক নিঃস্বার্থ জনসেবার হাতিয়ার নয়, ব্যবহৃত হচ্ছে হীন স্বার্থ শিকারে। হিংস্র জীব যেমন শিকার শেষে বনে গিয়ে আশ্রয় নেয়, তেমনি বহু দুর্বৃত্ত অপরাধীরাও নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে বা কৃত অপরাধের শাস্তি এড়াতে রাজনীতিতে যোগ দেয়। অফিস-আদালত, সেনানিবাস, হাট-বাজার বা লোকালয়ে অপরাধ কর্ম সংঘটিত হলে সেটির তবুও বিচারের সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু রাজনীতিতে সে সম্ভাবনা নেই। কারণ, আদালত, সেক্রেটারিয়েট, ডাকাতপাড়া বা পথে ঘাটে দুষ্কর্মে লিপ্ত কোন অপরাধীকে পুলিশ ধরলে তার পক্ষে মিছিল হয় না, লগি বৈঠা নিয়ে তাকে বাঁচাতে কেউ যুদ্ধ শুরু করে না। অথচ কোন রাজনৈতিক নেতাকে দূর্নীতি বা কোন বিদেশী শক্তির গুপ্তচর বা এজেন্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগে ধরলেও তার বিচার করা অসম্ভব। বিচারের আগেই অপরাধী নেতাকে নির্দোষ ঘোষনা দেওয়া হয় রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে। এবং সে নেতার বিরুদ্ধে বিচারের যে কোন উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আখ্যা দিয়ে সরকার ও বিচারকদেরই উল্টো রাজপথে লাঠি দেখানো হয়।পাকিস্তান আমলে তাই শেখ মুজিব এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তাঁর সাথীদের বিচার করা সম্ভব হয়নি। অথচ অভিযুক্তরা যে ভারতের সাথে মিলে ষড়যন্ত্র করেছিল তা নিয়ে এখন আর বিতর্ক নেই। বরং সে ষড়যন্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্টতা এখন গণ্য হচ্ছে আত্ম-গরিমার বিষয় রূপে।
|
|
|
Dr Firoz Mahboob Kamal
|
|
Saturday, 23 January 2010 22:49 |
|
ভাষা-আন্দোলনের লক্ষ্য শুধু রাষ্ট্রভাষা রূপে বাংলার স্বীকৃতি লাভ ছিল না। বরং পাকিস্তান এবং যে প্যান-ইসলামী চেতনার ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল তার বিনাশ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা। পাকিস্তান খন্ডিত হয়েছে, বাংলাদেশও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ইসলামি চেতনা বিনাশের কাজ এখনও শেষ হয়নি, তাই শেষ হয়নি ভাষা আন্দোলনের নামে বাঙালীর চেতনা জগতে সেকুলার ধারার সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বিপ্লবের কাজ। ভাষা আন্দোলনের নাশকতা এখানেই। ভাষা আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের দাবী,ভাষা আন্দোলন না হলে বাঙালী জাতিয়তাবাদ কখনই এতটা প্রচন্ডতা পেত না এবং বাংলাদেশও সৃষ্টি হতো না। তাদের এ যুক্তি অস্বীকারের উপায় নেই। তাই ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের কল্যাণচিন্তা, ইসলামের প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিরূপে মুসলমানদের আবার উত্থান -এসব নানা স্বপ্ন মাথায় নিয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল। ভাষা-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে স্বপ্নেরই মৃত্যু হয়েছে। তবে সে স্বপ্নের বিনাশই ভাষা-আন্দোলনের একমাত্র নাশকতা নয়, এখন সে আন্দোলনের সেকুলার চেতনাকে লাগাতর ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশে ইসলামী চেতনার উত্থান রোধের কাজে।
|
|
Dr Firoz Mahboob Kamal
|
|
Thursday, 03 December 2009 23:29 |
|
পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে প্রচুর সমস্যা ছিল। ভৌগলিক ভাবে দেশটির দুটি অংশ হাজার মাইলের বেশী দূরে থাকায় সে সমস্যায় প্রচন্ড জটিলতাও ছিল। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রচুর বৈষম্যও ছিল। তবে সে সমস্যার কারণগুলো বুঝা ও তার সমাধান নিয়ে যতটা চেষ্টা হয়েছে তার চেয়ে বেশী সেগুলি ব্যবহৃত হয়েছে রাজনীতির গুটি রূপে ক্ষমতা আহরণে। সবচেয়ে বেশী হয়েছে তা নিয়ে ষড়যন্ত্র পাকাতে। শেখ মুজিব সবসময়ই বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অথচ শেখ মুজিব নিজেই ষড়যন্ত্র করেছেন পাকিস্তানের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে এবং সেটি করেছেন পাকিস্তানের আজন্ম শত্রু ভারতের সাথে মিলে সংগোপনে। আগরতলা ষড়যন্ত্র যে মিথ্যা ছিল না সেটি বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ সৃষ্টির পর। এখন এ ষড়যন্ত্রকে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিজেদের জন্য গর্বের বিষয় রূপে গণ্য করেন। যাদের বিরুদ্ধে সে মামলায় সেদিন অভিযোগ আনা হয়েছিল, তারাই এখন সে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বাহাদুরীও জাহির করছে।
|
|
T M Hussain
|
|
Saturday, 22 August 2009 15:48 |
|
Inferiority due to Encirclement by India!
The pity is that so far in the last four decades the governments of Bangladesh with rare exception at times miserably failed to rise psychologically above the feelings of inferiority, vulnerability and helplessness for geographical containment of Bangladesh by India. The government now in power since January 2009 has been reminding the people repeatedly that Bangladesh must accept whatever India prescribes for everything internally and externally. That is why they are giving India the transit through the territory of Bangladesh, yielding the three CHT districts to the tribal people alone in exclusion of all other citizens in India’s terms of pleasure, permitting India to have the Tipaimukh Dam in detriment of the water system and ecology of one fourth of Bangladesh just as earlier in 1997 gave India for 30 years the inequitable share of water of the Ganges/Padma river upstream, turning the BDR ineffectual than before by first intimidating and then killing about six dozen brilliant senior army officers in an orchestrated mayhem soon after the government saddled them in power in January 2009 that certainly looks like helping India possibly to turn the Bangladesh national army to be subservient and fully loyal to India.
|
|
|
Dr Firoz Mahboob Kamal
|
|
Sunday, 10 January 2010 20:15 |
|
রক্তপাত কোনদেশেই সৌহার্দ, সম্পৃতি ও একতা গড়ে না। শান্তিও আনে না। যা গড়ে তা হলো পরস্পরের মাঝে গভীর ঘৃনা, বিভক্তি ও সে সাথে নতুন নতুন রক্তপাতের প্রেক্ষাপট। রক্তের স্মৃতি সহজে মুছে না, বরং সেটি বেঁচে থাকে যুগ যুগ ধরে। এবং গভীরতর করে ঘৃনা। রক্তের স্মৃতি ধরেই জাহেলী যুগের আরবগণ একই যুদ্ধ চালিয়ে যেত শত শত বছর ধরে। রাজনীতিতে রক্তাক্ষয়ী পথ তাই প্রজ্ঞাবান নেতাগণ এড়িয়ে চলেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান গড়তে তাই কোন রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ লড়তে হয়নি। অথচ মুজিব জেনেশুনেই ভয়ানক রক্তপাতের পথ বেছে নেয়। তবে তাতে মুজিবের স্বার্থ যাই থাক, ভারতে স্বার্থ ছিল বিরাট। পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই ভারতের লক্ষ্য ছিল, নানা ভাষার ও নানা অঞ্চলের মুসলমানদের মাঝে তীব্রতর ঘৃনা ও বিভেদ সৃষ্টি হোক। আর সে ঘৃনায় ভেঙ্গে যাক উপমহাদেশের মুসলমানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে মুজিবের উপরের অর্পিত দায়িত্ব ছিল পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতীয় বাহিনীর ঢুকার উপযোগী প্রেক্ষাপট তৈরী করা। তবে মুসলমানদের মাঝে ঘৃণা ও বিভক্তিকে তীব্রতর ও স্থায়ী করার স্বার্থে মুজিব ও তার সমর্থকগণ শুধু পাকিস্তান ভাঙ্গা নিয়েই খুশি ছিল না। তাদের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় নিরস্ত্র পাকিস্তানপন্থিদের হত্যা, তাদের উপর নির্মম নির্যাতন, তাদের সম্পদ লুট, বাড়ী দখল ও তাদের বিরুদ্ধে লাগাতর ঘৃনা সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরো বিষাক্ত ও বীভৎস করা।
|
|
Dr Firoz Mahboob Kamal
|
|
Saturday, 21 November 2009 23:35 |
|
মিথ্যাচার ও দুর্বৃত্তিতে শিরোপা-লাভ হত্যা, ধর্ষণ বা চুরি-ডাকাতিই শুধু অপরাধ নয়, বরং বড় অপরাধ হলো মিথ্যা বলা ও তার প্রচার। খাদ্য দুষিত হলে তাতে স্বাস্থ্যহানী ঘটে, আচরণে বা জ্ঞানচর্চায় মিথ্যাচর্চা হলে তাতে আসে নৈতিক পচন। মহানবী (সাঃ) মিথ্যাচর্চাকে একারণেই সকল পাপের মা বলেছেন। কারণ,সকল পাপের জন্ম তো এ মিথ্যাচর্চা থেকেই। খুনি, ধর্ষণকারি, ঘুষখোর, চোর-ডাকাত ও ধোকাবাজ রাজনীতিবিদ -সবাইকে পদে পদে মিথ্যা বলতে হয়। খুন,ডাকাতি বা ধর্ষণের লক্ষ্যে বাড়ী থেকে বেরুনোর পরই যদি কোন দুর্বৃত্তকে এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যে সে কোথায় যাচ্ছে, এবং উত্তরে যদি সত্য কথা বলে তবে কি সে খুন,ডাকাতি ও ধর্ষণ করতে পারে? পদে পদে মিথ্যার সিঁড়ি বেয়েই প্রতিটি অপরাধীকে অপরাধের নানা পথে ছুটতে হয়। মিথ্যা বলা বন্ধ হলে পাপাচারও বন্ধ হয়ে যায়। হত্যা বা ধর্ষণের কারণে একটি জাতির মুখে অপমানের কালিমা ততটা লাগে না যতটা লাগে মিথ্যাচর্চায় ভেসে যাওয়ায়। বাংলাদেশে নৈতিক পচন ও দুর্বৃত্তিতে দেশটির পাঁচবার শিরোপা পাওয়ার যে বিশ্বজোড়া পরিচিতি সেটি একাত্তরে গণহত্যা ও নারীর ধর্ষণের কারণে জুটেনি। বরং সেটি সত্যহত্যা বা সত্যধর্ষণের কারণে।
|
|
|
Dr Firoz Mahboob Kamal
|
|
Saturday, 02 January 2010 08:10 |
|
অপরাধ বীভৎস ও বহুমুখি বাংলাদেশে সেকুলারিষ্টদের অপরাধ অনেক। সবচেয়ে বড় অপরাধঃ নিরেট মিথ্যাচার। সেটি অতি বিচিত্র ও বীভৎসভাবে। দ্বিতীয় অপরাধঃ মুসলমানদের বিপুল সম্পদহানী, প্রাণহানী, শক্তিহানী ও ইজ্জতহানী। বাংলাদেশকে তারা তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি বানিয়ে ছেড়েছে। তৃতীয় অপরাধঃ দুর্বৃত্তির সীমাহীন প্রসার। এবং চতুর্থ অপরাধঃ স্বাধীনতার মুখোশ পড়িয়ে দেশটিকে একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত করেছে ভারতের। বিশ্বের প্রায় দুই শত দেশকে পর পর ৫ বার হারিয়ে বাংলাদেশ যে দুর্বৃত্তিতে শিরোপা পেল সেটিও এই সেকুলারিষ্টদের একক অবদান। দূর্নীতিকে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে ব্যবহার করেছে দেশের রাজনীতি, পুলিশ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, শিক্ষাব্যবস্থাকে। আগামী হাজারো বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশ আর কোন গৌরব নিয়ে না হোক অন্ততঃ এ অর্জন নিয়ে বিশ্ববাসীর স্মৃতিতে প্রবলভাবে বেঁচে থাকবে। আজ পার পেলেও এ অপরাধ নিয়ে শত বছর পরও বাংলাদেশের মাটিতে অবশ্যই বিচার বসবে। আগামী দিনের প্রজন্ম অবশ্যই প্রশ্ন তুলবে, “আমাদের পূর্বপুরুষগণ কি এতটাই অযোগ্য ও অপদার্থ ছিল যে এমন দুর্বৃত্তদেরও মাথায় তুলেছিল?”
|
|
Dr Firoz Mahboob Kamal
|
|
Friday, 06 November 2009 02:18 |
|
অপরাধ ইসলামকে আড়াল করার বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলোর অপরাধ অনেক। তবে বড় অপরাধ হলো, ইসলামের মূল পরিচয়টি তুলে না ধরার। এ অপরাধ সত্যকে গোপন করার। আর প্রতিটি অপরাধই আল্লাহর আযাব ডেকে আনে। বাংলাদেশে সে আযাবই কি কম? তারা যে ইসলামকে পেশ করছে তাতে নামায-রোযা ও হজ্ব-যাকাত আছে। মসজিদ-মাদ্রাসা, ওয়াজ-মাহফিল ও ইসলামের নামে দলগড়ার আহ্বানও আছে। কিন্তু যেটি নেই তা হলো নবীজী (সাঃ) নিজে যে ইসলামকে বহু যুদ্ধ ও বহু ত্যাগের বিনিময়ে বিজয়ী করেছিলেন সেটির পূর্ণাঙ্গ পরিচয়। মেঘ যেমন সূর্যকে আড়াল করে রাখে তারাও তেমনই তাঁর আমলের সে ইসলামকে আড়াল করে রেখেছে। ফলে বাংলাদেশ একটি মুসলিম-প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও সবচেয়ে অপরিচিত হলো নবীজী (সাঃ)র আমলের সনাতন ইসলাম। বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে সে ইসলাম পরিচিতি পেয়েছে মৌলবাদ রূপে। সেটিকে বলছে, জ্বিহাদীদের ইসলাম। সাধারণ মানুষ দূরে থাক, প্রধান প্রধান ইসলামি দলগুলোও সে ইসলাম থেকে সযত্নে দূরে থাকার চেষ্টা করছে।
|
|
|
|
|
|
|
Page 1 of 4 |
|
Latest Comments
By Abu Zayan
By Jaber Anwaar
By AK Delwar Hussain
By Web Admin
By Ashequs Samad
By Web Admin
By Ashequs Samad
By Ausal
By Masum
By timtim745
By Ashik
By Apu Akond
By Khalid Khan
By Khalid Khan
By Yusuf Mamun
By Ariyan
By Nazrul Islam
By Abid Bahar
By Abdul Ghaffar
By Khalid Khan
By Khalid Khan
By Golam Mohaed
By Ariyan
By সত্যের সেনানী
By সাইফুল আলম সারোয়ার