|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:05 |
এদেশে জাতিসত্তার বিভাজন চলছে। বাংলাদেশের সূচনা পর্ব থেকে আজ অবধি তিন তিনটা যুগ অতিবাহিত হলেও এদেশে বিভাজন প্রক্রিয়া থেমে থাকেনি। কারণটা কি? ভারতের জাতিসত্তায় সম্ভাব্য শতাধিক ভাঙনের চিড়ধরে আছে। কিন্তু এর উৎকট প্রকাশ উচ্চকিত হয় না কখনো। সেখানকার সংবাদ মাধ্যমে সাংস্কৃতিক আচরণে অথবা রাজনৈতিক কর্মসূচীতে সরব ভাঙন প্রক্রিয়া অনুপস্থিত যদিও সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে।
কিছু অসংলগ্ন অভিব্যক্তির গুঞ্জন আবর্তিত হওয়া সত্ত্বেও প্রত্যেকটি জাতিসত্তায় ঐক্যের অনুরণন পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু কি দুর্ভাগ্য আমাদের পঞ্চমবাহিনী বিশ্বাসঘাতকরা জাতিসত্তা বিভাজন প্রক্রিয়ার বিশেষ বিশেষ দিবসের সুনির্দিষ্ট ল্যাণ্ডমার্কসমূহ উচ্চকিত করে বছরে কয়েক মাস ব্যাপী অপপ্রচারের জোয়ার আনে এবং দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীর একাংশকে অপশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে জাতি সত্তাকে অনৈক্যের আবর্তে নিক্ষেপ করে চলেছে প্রতিনিয়ত পরিকল্পিতভাবে। কিন্তু কেন?
|
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
ভারত থেকে বৌদ্ধ উৎখাতে ব্রাহ্মণ্যবাদী ষড়যন্ত্র
ব্রাহ্মণজনগোষ্ঠী ভারতের ভূমি সন্তান নয়। এরা আর্য। আর্যরা ভারতের ভূমি সন্তান নয়- বহিরাগত। তারা অভাব দারিদ্র্য খাদ্য সংকট প্রাকৃতিক বিপর্যয় অথবা যুদ্ধজনিত কারণে বিতাড়িত হয়ে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দিকে নতুন আশ্রয়ের সন্ধানে আসে। আর্যদের আগমন সম্পর্কে সাম্প্রতিক ধারণা হল, খৃষ্টপূর্ব ৩ হাজার বছরের দিকে মধ্য অথবা পূর্ব ইউরোপের অংশে অথবা রাশিয়ার উরাল পর্বতমালার সমতল ভূভাগে ইন্দো ইউরোপীয় অথবা আর্য জাতির উদ্ভব হয়। অত্যধিক শীতের জন্য হোক অথবা অন্য জাতির আক্রমণের ফলেই হোক এ আর্যরা পিতৃভূমি হতে দক্ষিণ পূর্বে ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয়। সভ্যতার দিক দিয়ে এরা খুব উন্নত ছিল এমনটি নয়। এ ব্যাপারে শ্রী অমিত কুমার বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস গ্রন্থে লিখেছেন, ‘খৃস্টের জন্মের দু’ হাজার বৎসর পূর্বে অর্থাৎ আজ হইতে প্রায় ৪ হাজার বৎসর পূর্বে ভারত বর্ষের উত্তর পশ্চিম সীমান্তের কাছে আর্য জাতির এক শাখা পশ্চিম পাঞ্জাবে উপনিবিষ্ট হয়। তাহাদের পূর্বে এদেশে কোল ভিল সাওতাল প্রভৃতি অসভ্য জাতি এবং দ্রাবিড় নামক প্রধান সুসভ্য জাতি বাস করিত।’
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:13 |
পলাশী নাটকের গ্রীণরুমে
ডক্টর মোহর আলী লিখেছেন- দুই অপশক্তি অতি সন্তর্পণে এক অভিন্ন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলে। উভয় দলের উদ্দেশ্যের ভিন্নতা থাকা সত্বেও তাদের লক্ষ্য ছিল এক। সেটা হলো সিরাজের পতন অনিবার্য করে তোলা। একটির উদ্দেশ্য ছিল শোষণ লুণ্ঠনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক সাফল্যকে চূড়ান্ত করার জন্য ঔপনিবেশিক প্রভুত্বকে প্রতিষ্ঠিত করা। অন্যটির উদ্দেশ্য ছিল সিরাজের পতন ঘটিয়ে মুসলমানদের বিনাশ করে হিন্দুরাজ প্রতিষ্ঠা করা। তাদের একটা সহজ হিসেব ছিল মুসলমানরা ভারত বর্ষের যেখানেই প্রবেশ করেছে সেখানকার মাটি ও মানুষের সাথে একাকার হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের শিকড় অনেক গভীরে প্রথিত হয়ে যায়। এজন্য তাদের উৎখাত করা বর্ণ হিন্দুদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠে না। এ কারণে তারা ভাবতে শুরু করল ইংরেজদের সাহায্য সহযোগিতায় মুসলমানদের পতন সম্ভব হলে কালক্রমে বৃটিশদের বিতাড়িত করা তাদের জন্য কঠিন হবে না। কেননা সাতসমুদ্র তের নদীর ওপার থেকে ভারতে তাদের প্রাধান্য বজায় রাখা বৃটিশদের পক্ষে অসম্ভব হওয়াই স্বাভাবিক। উভয় পক্ষই তাদের আপাত লক্ষ্য অর্জনের জন্য অভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। প্রথম বর্ণবাদী হিন্দুচক্র এবং বৃটিশ বেনিয়া নিজেদের মধ্যে সখ্যতা বৃদ্ধির প্রয়াস নেয় এবং নিজেদের কৌশল সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করে। এই সাথে বিভিন্নভাবে গুজব ছড়িয়ে নবাবের চরিত্র হননের উদ্যোগ নেয়। সার্বিকভাবে নবাবের ছিদ্রান্বেষণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে উভয় পক্ষ।
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:15 |
কোম্পানীর রাজস্ব নীতি
একটা স্বাধীন দেশের নাগরিকের রাষ্ট্রের প্রতি যেমন দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে অনুরূপ রয়েছে তার অধিকার ও সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা। কিন্তু ঔপনিবেশিক শাসন কাঠামোর মূল লক্ষ্যই হলো শোষণ। সাধারণ মানুষের জন্য ন্যূনতম মানবিক দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকারে আবদ্ধ নয় ঔপনিবেশিক শাসকেরা। শোষণের মৌলিক নীতি সামনে রেখেই উপনিবেশবাদীরা তাদের সব ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। বৃটিশদের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হয়নি। বরং উপনিবেশবাদীদের ইতিহাসে জঘন্য দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে বৃটিশ বেনিয়ারা। মুসলিম শাসনামলে যদিও বাংলায় জমিদার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল, তাহলেও এসব প্রতিষ্ঠান লাগামহীন শোষণের যন্ত্র হিসেবে কেউ মনে করত না। সরকার এবং প্রজাদের মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্পর্কের নীতিই ছিল মুসলিম শাসন ব্যবস্থার মূলনীতি। জমিদাররা কোন অবস্থায় খাজনা বৃদ্ধি করতে পারতেন না। জমির উপর প্রজাদের বংশানুক্রমিক মালিকানা স্বত্ব বহাল থাকত এবং পুরুষানুক্রমে জমি ভোগ দখল করতে পারত। তারা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা দিত। জনগণের নিরাপত্তা এবং সুখ সুবিধার প্রতি দৃষ্টি রাখতে হত শাসকদের। কিন্তু কোম্পানী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল পৃথক। মুনাফা অর্জন ছাড়া ভিন্ন কোন ভাবনা তাদের ছিল না। যার ফলে অর্থনৈতিক শোষণই ছিল কোম্পানী শাসনের মূল নীতি। প্রজাদের কল্যাণ এবং সুযোগ সুবিধার প্রতি তাদের মোটেও ভ্রুক্ষেপ ছিল না।
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:17 |
সিপাহী বিপ্লবের পর কেড়ে নেয়া হল মুসলমানদের মুখের ভাষা
ওদিকে (পাঁচ-সাতশ’ বছর ধরে একটানা মুসলিম শাসনামলে আরবী ফারসী সমন্বয়ে প্রাকৃতিক নিয়মে মিশ্র প্রক্রিয়ায় সহজভাবে ভাব প্রকাশের জন্য একটা ভাষার উদ্ভব হয়েছিল সেটাকে বলা হত চলতি ভাষা। অনেকে বলত মুসলমানী ভাষা। এ প্রসঙ্গে উইলিয়াম হান্টার বলেন- আজ পর্যন্ত বদ্বীপ অঞ্চলের কৃষক মুসলমান। নিম্নবংগে ইসলাম এতই বদ্ধমূল যে, এটি এক নিজস্ব ধর্মীয় সাহিত্য ও লৌকিক উপভাষার উদ্ভব ঘটিয়েছিল। হিরাতের ফার্সী ভাষা থেকে ভারতের উর্দু যতোখানি পৃথক, ‘মুসলমানী বাংলা’ নামে পরিচিত উপভাষাটি উর্দু হতে ততোখানি পৃথক। (W. W Hunter-Indian Musoleman’s, P-146.) এই ভাষার পরিচয় যে যেভাবেই উপস্থাপন করুক না কেন, এটা ছিল হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে এদেশের প্রতিটি মানুষের মুখের ভাষা। এ সত্বেও গোড়া হিন্দু পণ্ডিতেরা এই ভাষাকে অবজ্ঞা অবহেলার চোখে দেখত। এর কারণ সম্ভবত এ ভাষাতে ছিল আরবী ফারসী উর্দু শব্দসমূহের সহজ মিশ্রণ।
|
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:12 |
পলাশী বিজয়ের পটভূমি
পলাশী বিপর্যয়ের মূল নায়ক মীর জাফর নয় মূল নায়ক ছিলেন জগৎশেঠ। ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্রের স্বৈরাচারী শোষণ, লুণ্ঠন এবং আধিপত্যের অবসান হয় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর। তাদের লুপ্ত শক্তি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ ইতিহাসে আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই কখনো প্রকাশ্যে আবার কখনো নেপথ্যে। সম্মুখ সমরে মুসলমানদের পরাস্ত করার সর্বশেষ প্রয়াস ছিল আগ্রার অদূরে খানুয়ায় বাবুরের সাথে যুদ্ধ। উত্তর ও মধ্য ভারতের হিন্দু রাজা ও মহারাজাদের সম্মিলিত বাহিনীর ৮০ হাজার অশ্বারোহী এবং ৫০০ রণ হস্তী সম্রাট বাবুরের ১০ হাজার সৈন্যের প্রতিরোধের মুখে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ব্রাহ্মণ্যবাদীরা সম্মুখ সমর পরিহারের নীতি অবলম্বন করে। অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তারা অতি ধৈর্য সহকারে নেপথ্য ষড়যন্ত্রের পথে এগুতে থাকে। তোষণ ও আনুগত্যের অভিনয় করে এক দিকে যেমন সংশ্লিষ্ট শাসকদের আস্থা অর্জন করে, অন্যদিকে অনুরূপ ষড়যন্ত্রের নিত্য নব নব কৌশল অবলম্বন করে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে।
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:14 |
পলাশীর পরে
পলাশী যুদ্ধের প্রহসনমূলক নাটক শেষ হতে না হতেই লুণ্ঠিত হল মুর্শিদাবাদের রাজকোষ। সে সময় রাজকোষে কি পরিমাণ সম্পদ ছিল? মুর্শিদকুলী খাঁর শাসনকাল থেকে দীর্ঘ ৫৫ বছরের সঞ্চয় একত্রিত হয়ে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার কোষাগারে পূর্ণিয়া যুদ্ধের পর সঞ্চিত ছিল সার্জন ফোর্থের প্রদত্ত হিসেব মতে মণিমুক্তা হিরা জহরতের মূল্য বাদ দিয়ে, তৎকালীন মুদ্রায় ৬৮ কোটি টাকা [S. C. Hill. Bengal in 1757-67, P.108] যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজেটের সাথে তুলনীয়।’ পলাশীর নাটক শেষ করে সিরাজ-উদ্দৌলারই দীওয়ান রামচাঁদ বাবু মুনশী নবকিষেণ, লর্ড ক্লাইভ ও মীরজাফরকে নিয়ে নবাবের কোষাগারে হাজির হন বিত্ত-সম্পদ লুট করার জন্য। দীওয়ান বাবুর তালিকার সাথে মিলিয়ে প্রাপ্ত সম্পদ তারা ভাগ বাঁটোয়ারা করে নেন। সিরাজউদ্দৌলার প্রাসাদে ও অন্দরমহলে রক্ষিত সম্পদ ভাগ করে নেন দীওয়ান রামচাঁদ, মুনশী নবকিষেণ, মীর জাফর আলী খান ও আমীর বেগ খান। (সিয়ারে মতাযেলি, ২য় খণ্ড (অনুবাদ) পৃ-২৩)
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:16 |
|
শতাব্দীকালের প্রতিরোধ যুদ্ধ অতঃপর হতাশা
সিরাজের পতন অতঃপর মীর কাসিমের প্রতিরোধ যুদ্ধের অবসান হলে ইংরেজরা শুধু মাত্র শোষণ এবং এদেশের সম্পদ লুণ্ঠনের মধ্যে তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখেনি। তাদের সহযোগী, তাদের জুনিয়ার পার্টনার বর্ণবাদী হিন্দুদের সহযোগিতায়ই মুসলমানদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভাঙলো। অতঃপর শিক্ষা সংস্কৃতি সভ্যতা সবকিছু থেকে বঞ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখল। একদিকে বৃটিশদের বিমাতাসুলভ আচরণ, নীলকরদের অত্যাচার অন্যদিকে হিন্দু জমিদারদের শোষণ ও অত্যাচারে এদেশের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ল। মুসলমানরা চাকুরি হারাল, আয়মা লাখেরাজ সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হল। লক্ষাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় সমগ্র জাতি ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত হল। বিলাতী বস্ত্রে ছেয়ে গেল দেশ। লক্ষ লক্ষ তাঁতী হল কর্মহীন। লবণ ব্যবসা চলে গেল ইউরোপীয়দের হাতে। নীলকরদের অত্যাচারে সর্বসান্ত হল কৃষকরা। খাজনা আদায়ের ভার দেয়া হল হিন্দুদের। জমিদার হয়ে বসল হিন্দুরা। অর্থনীতির সব সেক্টর থেকে মুসলমানরা হল বিতাড়িত।
|
|
Written by কে এম আমিনুল হক
|
|
Saturday, 15 August 2009 00:18 |
|
বঙ্গ ভঙ্গ ও মুসলমানদের নব চেতনার উন্মেষ
১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে নওয়াব সলিমুল্লাহ পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরে এতদাঞ্চলের দারিদ্র পীড়িত জনগোষ্ঠীর জন্য গ্রহণযোগ্য কিছু একটা করার আবেদন জানান। ওদিকে আসামের উৎপাদিত চা ও অন্যান্য পণ্য বিদেশে রপ্তানীর ব্যাপারে পরিবহন ব্যয় হ্রাসের উদ্দেশ্যে কোলকাতার বদলে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের চিন্তা করে বৃটিশরা, এই সাথে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সীর প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের ভাবনাও চলতে থাকে। বৃটিশদের বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং নবাবের আবেদন যুক্ত হয়ে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে বাংলা বিভাজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে পলাশী উত্তর ভাগ্যবান জনগোষ্ঠী ব্রাহ্মণ্যবাদীরা জ্বলে উঠল। কোলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবি ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রতিবাদ সত্বেও ১৯০৫ সালে পূর্ব বঙ্গ ও আসাম নিয়ে একটি স্বতন্ত্র প্রদেশ গঠন করা হল। বঙ্গভঙ্গ বর্ণ হিন্দুদের জন্য মোটেও সুখদায়ক হয়নি। বঙ্গভঙ্গের উপর আঘাত হানার জন্য শ্রেণী স্বার্থে তৎপর হয়ে উঠল তারা। ১৯০৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯০৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত অন্তত ৩০০০ প্রকাশ্য জনসভায় বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান হল এবং প্রতিটি জনসভায় ৫০০ থেকে ৫০,০০০ শ্রোতা উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
|
|
|
|
|
|
|
Page 1 of 3 |
Latest Comments
By Abu Zayan
By Jaber Anwaar
By AK Delwar Hussain
By Web Admin
By Ashequs Samad
By Web Admin
By Ashequs Samad
By Ausal
By Masum
By timtim745
By Ashik
By Apu Akond
By Khalid Khan
By Khalid Khan
By Yusuf Mamun
By Ariyan
By Nazrul Islam
By Abid Bahar
By Abdul Ghaffar
By Khalid Khan
By Khalid Khan
By Golam Mohaed
By Ariyan
By সত্যের সেনানী
By সাইফুল আলম সারোয়ার